নম্বর ও গ্রেড দুইভাবেই
দুই পত্রের সমন্বিত নম্বর অথবা মার্কশিটের চূড়ান্ত লেটার গ্রেড ব্যবহার করুন।
নম্বর বা লেটার গ্রেড থেকে বাংলাদেশের এইচএসসি জিপিএ হিসাব করুন। নিজের বিভাগীয় বিষয় ও চতুর্থ বিষয় বেছে চতুর্থ বিষয়সহ এবং ছাড়া জিপিএ তুলনা করুন।
দুই পত্রের বিষয়ে ২০০-এর মধ্যে মোট নম্বর দিন। আইসিটি ১০০ নম্বরের। চাইলে চূড়ান্ত লেটার গ্রেডও ব্যবহার করতে পারেন।
দুই পত্রের বিষয়গুলোতে ২০০-এর মধ্যে সমন্বিত নম্বর দিন। আইসিটি ১০০ নম্বরের।
আবশ্যিক বিষয়গুলোর গ্রেড পয়েন্ট যোগ করুন। চতুর্থ বিষয়ের গ্রেড পয়েন্ট থেকে ২.০০ বাদ দিয়ে শুধু অতিরিক্ত অংশ যোগ করুন। মোট পয়েন্টকে আবশ্যিক বিষয়ের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে সর্বোচ্চ ৫.০০ ধরুন। আবশ্যিক বিষয়ে F হলে ফলাফল অনুত্তীর্ণ; ঐচ্ছিক বিষয়ে F হলে বোনাস নেই, তবে পুরো ফলাফল অনুত্তীর্ণ হয় না।
এইচএসসি জিপিএ = (আবশ্যিক বিষয়ের পয়েন্ট + সর্বোচ্চ[চতুর্থ বিষয়ের GP − ২, ০]) ÷ আবশ্যিক বিষয়ের সংখ্যাহিসাবের আগে বিভাগ, বিষয়ের সমন্বয় ও ঐচ্ছিক বিষয় ঠিক করুন, যাতে ফলাফল আপনার মার্কশিটের সঙ্গে মেলে।
দুই পত্রের সমন্বিত নম্বর অথবা মার্কশিটের চূড়ান্ত লেটার গ্রেড ব্যবহার করুন।
একটি নির্দিষ্ট কলেজের তালিকায় আটকে না থেকে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা বা মানবিকের নিজের চারটি বিষয় বেছে নিন।
আবশ্যিক বিষয়ের গড়, ঐচ্ছিক বোনাস ও সর্বোচ্চ ৫.০০-তে সীমিত চূড়ান্ত জিপিএ আলাদা দেখুন।
আবশ্যিক বিষয়ে F শনাক্ত করুন এবং গোল্ডেন A+ ও বোনাসসহ পাওয়া জিপিএ ৫.০০-এর পার্থক্য দেখুন।
১০০ ও ২০০ নম্বরের সমন্বিত বিষয়ে একই শতকরা সীমা প্রযোজ্য। ২০০ নম্বরের বিষয়ে A+ শুরু ১৬০ এবং পাস শুরু ৬৬।
| নম্বর | লেটার গ্রেড | গ্রেড পয়েন্ট | ফল |
|---|---|---|---|
| ৮০–১০০ | A+ | ৫.০০ | অসাধারণ |
| ৭০–৭৯ | A | ৪.০০ | খুব ভালো |
| ৬০–৬৯ | A− | ৩.৫০ | ভালো |
| ৫০–৫৯ | B | ৩.০০ | সন্তোষজনক |
| ৪০–৪৯ | C | ২.০০ | উত্তীর্ণ |
| ৩৩–৩৯ | D | ১.০০ | উত্তীর্ণ |
| ০–৩২ | F | ০.০০ | অনুত্তীর্ণ |
ধরা যাক, ছয়টি আবশ্যিক বিষয়ে মোট ২৫.০০ পয়েন্ট এবং চতুর্থ বিষয়ে A+ (৫.০০)।
৬টি আবশ্যিক বিষয়ে ২৫.০০ পয়েন্ট
৫.০০ − ২.০০ = ৩.০০ বোনাস পয়েন্ট
(২৫.০০ + ৩.০০) ÷ ৬ = ৪.৬৭ জিপিএ
বাংলার কোড ১০১ + ১০২, ইংরেজি ১০৭ + ১০৮ এবং আইসিটি ২৭৫। বিজ্ঞানে সাধারণত পদার্থবিজ্ঞান ১৭৪ + ১৭৫, রসায়ন ১৭৬ + ১৭৭, জীববিজ্ঞান ১৭৮ + ১৭৯ ও উচ্চতর গণিত ২৬৫ + ২৬৬ থাকে। ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিকের বিষয় কলেজভেদে আলাদা হতে পারে, তাই ক্যালকুলেটরে বিষয় বদলে তারপর চতুর্থ বিষয় বেছে নেওয়া যায়।
দুই পত্রের চূড়ান্ত সমন্বিত ফল দিন। দুই পত্র মিলিয়ে ২০০-এর মধ্যে নম্বর লিখুন, অথবা বোর্ডের দেওয়া চূড়ান্ত লেটার গ্রেড বেছে নিন।
নিজের বিষয়ের সমন্বয় যাচাই করুন। বিষয় ও কোড ভিন্ন হতে পারে। আপনার রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও মার্কশিটের বিষয় এবং ঐচ্ছিক অবস্থাই চূড়ান্ত।
প্রকাশিত ফল অফিসিয়ালি যাচাই করুন। BanglaTools বোর্ডের ফলাফল আনে বা পরিবর্তন করে না। এই হিসাব অফিসিয়াল Education Board ফলাফল পোর্টালের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
ক্যালকুলেটরে বাংলাদেশের ৫.০০ গ্রেডিং স্কেল ও প্রচলিত চতুর্থ বিষয়ের বোনাস পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। বর্তমান বোর্ড নোটিশ ও অফিসিয়াল ট্রান্সক্রিপ্টই চূড়ান্ত।
Reviewed 25 July 2026এইচএসসি গ্রেডিং সিস্টেম, নম্বর, চতুর্থ বিষয়, বিভাগ, F ও জিপিএ ৫.০০ সম্পর্কে উত্তর।
সব আবশ্যিক বিষয়ের গ্রেড পয়েন্ট যোগ করুন। চতুর্থ বিষয়ের গ্রেড পয়েন্ট থেকে ২.০০ বাদ দিয়ে ধনাত্মক অংশ যোগ করুন। আবশ্যিক বিষয়ের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে সর্বোচ্চ জিপিএ ৫.০০ ধরুন।
শুধু আবশ্যিক বিষয়ের গ্রেড পয়েন্ট যোগ করে আবশ্যিক বিষয়ের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করুন। ক্যালকুলেটর ঐচ্ছিক বোনাস যোগ করার আগের এই মূল জিপিএ আলাদা দেখায়।
না। ঐচ্ছিক চতুর্থ বিষয়ে F হলে কোনো বোনাস যোগ হবে না, তবে শুধু এ কারণে পুরো ফল অনুত্তীর্ণ হবে না। আবশ্যিক বিষয়ে F হলে ফল অনুত্তীর্ণ হয়।
হ্যাঁ। দুই পত্রের বিষয়ে ২০০-এর মধ্যে সমন্বিত নম্বর এবং আইসিটিতে ১০০-এর মধ্যে নম্বর দিন। ক্যালকুলেটর শতকরা নম্বর থেকে গ্রেড ও পয়েন্ট বের করবে।
এই ক্যালকুলেটরে বাংলার দুই পত্র মিলিয়ে ২০০ এবং ইংরেজির দুই পত্র মিলিয়ে ২০০ নম্বরের একটি করে ফল ব্যবহার হয়। গ্রেড মোডে মার্কশিটের চূড়ান্ত সমন্বিত গ্রেড দিন।
হ্যাঁ। বিভাগ বেছে মার্কশিটে থাকা চারটি বিভাগীয় বিষয় নির্বাচন করুন, তারপর সঠিক চতুর্থ বিষয় ঠিক করুন।
চতুর্থ বিষয়ের বোনাস যোগ করেও চূড়ান্ত জিপিএ ৫.০০ হতে পারে। প্রচলিত অর্থে গোল্ডেন A+ হলো ঐচ্ছিক বোনাসের ওপর নির্ভর না করে সব আবশ্যিক বিষয়ে A+।
না। আপনার দেওয়া তথ্য থেকে এটি জিপিএ হিসাব করে। প্রকাশিত ফল ও ট্রান্সক্রিপ্ট বাংলাদেশের অফিসিয়াল Education Board ফলাফল পোর্টালে যাচাই করুন।
না। হিসাব আপনার ব্রাউজারেই হয় এবং লেখা নম্বর BanglaTools-এ আপলোড করা হয় না।